রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৭:৫১

সৌদি আরবে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, দুই জনের মৃত্যু

সৌদি আরবে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, দুই জনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় নাজরান এলাকায় একটি হেলিকৈপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছে। এ ঘটনায় হেলিকপ্টারটিতে থাকা দুই ক্রু সদস্য নিহত হয়েছেন।

 রোববার (১৮ অক্টোবর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে ইয়েমেনে যুদ্ধরত সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট।

 সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া বিবৃতিতে জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালকি জোট বলেন, ‘যান্ত্রিক ত্রুটির’ কারণে এএইচ-৬ মডেলের নজরদারি হেলিকপ্টারটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় নাজরান এলাকায় বিধ্বস্ত হয়। এটি সৌদি আরবের ন্যাশনাল গার্ড মন্ত্রণালয়ের হেলিকপ্টার ছিল।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘এই দুর্ঘটনায় হেলিকপ্টারে থাকা দুই কর্মকর্তা শহীদ হয়েছেন।’

গেল এক সপ্তাহে সৌদি আরবে একের পর এক হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা। সম্প্রতি ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের দফায় দফায় হামলায় কেঁপে ওঠে সৌদির বিমানবন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। রিয়াদে এসব অভিযান ইরান ও হুতিদের একটি সুচিন্তিত কৌশলের প্রতিফলন বলে প্রতিবেদন করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

এতে বলা হয়, হরমুজ প্রণালি থেকে শুরু করে লোহিত সাগরের বাব আল-মান্দেব পর্যন্ত বিস্তৃত এই সংঘাতময় অঞ্চলে সৌদি আরবকে একটি চাপের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে ব্যবহার করছে ইরান সমর্থিত হুতিরা।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যুদ্ধের কারণে ওয়াশিংটনকে তাদের নীতি পরিবর্তনে সরাসরি বাধ্য করতে না পেরে সোদি আরবকে লক্ষ্যবস্তু করছে তেহরান। ইরান তাদের প্রধান আঞ্চলিক পৃষ্ঠপোষক হওয়ায় তেহরানের ওপর চাপ কমলে তা হুতিদের জন্য সরাসরি লাভজনক হবে। এতে হুতিদের রাজনৈতিক, আর্থিক ও সামরিক ক্ষেত্রে ইরানের আর্থিক সহায়তার প্রবাহ বজায় থাকবে যা হুতিদের শক্তিশালী হতে প্রয়োজন।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, এসব ছাড়াও হুতিদের নিজস্ব কিছু দাবিও রয়েছে। এর মধ্যে সৌদি সামরিক অভিযানের অবসান, ইয়েমেনের বন্দর ও বিমানবন্দরগুলোর ওপর থেকে বিধিনিষেধ তুলে নেয়া, ইরানে নিয়মিত ফ্লাইট চালু করা, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ দেয়া এবং ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের প্রতি রিয়াদের সমর্থন প্রত্যাহার করা। তাদের এই শর্তগুলো পূরণ হলে ইয়েমেনের বড় একটি অংশে হুতিদের শাসন আরও সুসংহত হবে।

Follow করুন এমটিনিউজ২৪ গুগল নিউজ, টুইটার , ফেসবুক এবং সাবস্ক্রাইব করুন এমটিনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলে।